Transcripts of important discussions at Tritiyo Matra episodes.

Tritiyo Matra Episode 6521

বাজেটে পুরো অংশটাই আমরা আলোচনা করেছি  স্বাস্থ্যের বিষয়ে এবং যেটি ফোকাস হওয়ার কথা ছিল এবং জীবন-জীবিকার এই জায়গাটিতে আসলে মনোযোগটা নেই এবং মনোযোগটা ছিল সেই জায়গাটাতে দেওয়া দরকার এখনো সময় আছে যদি এখনো সময় আছে যদি অর্থমন্ত্রী সেই সংশোধন গুলো আনতে পারেন। 

যেটা উনারা বলতে চেষ্টা করেছেন ড. সাজ্জাদ জহির  বলেছিলেন যে, ঠিকাদারি রাজনীতি বা ঠিকাদারি অর্থনীতি চলছে। তার ভাষায়। ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সবুর যেমনটা বলছিলেন যে স্বাস্থ্যের দিকে সবচাইতে মনোযোগ দেওয়ার কথা ছিল এই বাজেটে যেটি দেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য ছাড়া উন্নয়ন হয় না এবং স্বাস্থ্যের  উন্নয়ন আহলে আসলে জাতি টেকসই হবে না। এবং সেই কারণেই তিনি বারবার বলছিলেন যে এখন সবচাইতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা হচ্ছে টিকা কিন্তু সেই টিকার গল্পটি আসলে ঝুলে গেছে।

Tritiyo Matra Episode 6520

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মিস্টার মাতলুব বলছিলেন বাজেট কি ব্যবসা বান্ধব এবং এক কথায় বা এক শব্দে তিনি বলছে এটি একটি চমৎকার বাজেট। ড. সায়মা বলছিলেন যে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে জন্য এ ধরনের বাজেটে অবশ্যই দরকার ছিল। 

শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি বলছেন যে শিক্ষার্থীকে ভ্যাক্সিনেশন আওতার মধ্যে আনতে হবে। সংস্কারের কথা দুইজন বলেছেন যে প্রাতিষ্ঠানিক  সুশাসন করাটা খুব বেশি দরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল ডিভাইস প্রকল্পের কথা  ডক্টর সায়মা হক স্পষ্টভাবে  বলেছেন। 

Tritiyo Matra Episode 6519

আমাদের প্রবৃদ্ধির জন্য যেসকল সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নতি রয়েছে সেগুলো কি ধরনের হয়েছে। বলা হয়েছে যে, ২০১৯-২০২০ থেকে  অর্থনীতি অবস্থাটা ভালো ছিল।

মোটাদাগে আমরা যদি দেখি তাহলে আমরা  দেখব, সেখানে কি সরকারি ব্যয় বেড়েছে খুব একটা। সেখানে কি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বৃদ্ধি হয়েছে।

Tritiyo Matra Episode 6517

যাদের সমর্থন রয়েছে তারা মাস্ক পরিধান করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এই জিনিসগুলোতে তারা সম্মত হয়েছে। অনেকের সামর্থ্যই নাই।  

এই লংটাইম কোভিদের কারণে অনেক লোক বেকার হয়েছে দারিদ্রতার পরিমাণ বেড়ে গেছে। এবং আপনার অনুষ্ঠানেই পরিসংখ্যানে মাধ্যমে তারা বুঝিয়েছেন প্রায় তিন কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। 

Tritiyo Matra Episode 6515

 আমরা বলেছিলাম ২০২০ সালে যেই বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল সেটি জনবান্ধব হচ্ছে না, ব্যবসায়ীবান্ধব হচ্ছে না। আমি যদি একটি কথা বলি যে ম্যাক্রো মনির চেম্বার খুব শক্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল। এই বিষয়ে একটি আইন পাশ করা হয় এবং এই আইনটি আসলে বড় ব্যবসায়ীদের পক্ষে যায় বলে তারা আসলে খুব শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়েছিল।

এরপর আমরা বলেছেন যে এই আইনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং তাদেরকে টার্ন ওভার করে দেওয়া হোক অথবা স্লাব করে দেয়া হোক। এবং ২০১৯ থেকে ২০ সালে মাননীয় অর্থমন্ত্রী সবার সামনে বললেন যে আমি ভ্যাট নিয়ে নতুন আইন প্রবর্তন করব।